top
top
Breaking News

হাওরাঞ্চলের প্রান্তি চাষী ও কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করতে কোন ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না- কৃষি মন্ত্রী

হাওরাঞ্চলের প্রান্তি চাষী ও কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করতে কোন ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না- কৃষি মন্ত্রী
Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার: হাওরাঞ্চলের কৃষকদের ধান কাটার জন্য সরকার প্রথম পর্যায়ে একশ কোটি দিয়েছিল এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী আরও একশ কোটি টাকার মেশিন দিয়েছেন যা কৃষকদের মাঝে বিতরণ করছি। ২৭ তারিখ থেকে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্যে সরকার ধান কেনা শুরু হয়েছে। কোন মধ্যস্বত্বভোগী আসার কোন সুযোগ নেই। আমরা কৃষি মন্ত্রনালয় থেকে ক্ষুদ্র এবং প্রান্তি চাষীদের একটা তালিকা করে দিয়েছি। সেই তালিকার উপরে লটারী হবে।সেখানে কেউ প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না। সেখানে ডিসি,ইউএনও ও খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নিয়ন্ত্রনে থাকবেন। গত বোরোতে কিছুটা সমস্যা হয়েছিল এবং গত আমনে ৬ লক্ষ টন ধান আমরা কেনেছি, সেটা নিয়ে প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় কোন সমালোচনা করতে পারেনি। ইনশাল্লাহ আমরা আরও উদ্যোগ গ্রহন করেছি এপসের মাধ্যমে ২২টি জেলা থেকে ধান কেনা হবে সরাসরি চাষীর কাছ থেকে কেনা হবে। আজ বুধবার দুপুরে সুনামগঞ্জের সাংহাই হাওরে কৃষকদের ধানকাটা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে এসব কথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তের তিনি বলেন, চলতি বছর সরকার ৮ লক্ষ মে.টন বোরো ধান ক্রয় করছেন। সুনামগঞ্জের উৎপাদিত  ১২ লক্ষ মে.টন ধানের মধ্যে মাত্র ২৫ হাজার টন ক্রয় করছেন। এটা বাড়িয়ে  ১ লক্ষ মে.টনে উন্নীতির দাবী জানালে মন্ত্রী বিষয়টি আমলে নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে সুনামগঞ্জে বেশী বরাদ্দের আশ্বাস দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনমান্ত্রী এম এ মান্নান, এমপি মহিবুর রহমান মানিক, এমপি পীর মিসবাহ, শামীমা শাহরিয়ার এমপি, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ব্যারিষ্টার এনামুল কবির ইমন, জেলা প্রশাসক মো: আব্দুল আহাদ, পুলিশ সুপার রহমানসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা। এ সময় মন্ত্রী ধানকাটার শ্রমিকদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে লুঙ্গি, গামছা, চাউলসহ খাদ্যসামগ্রী উপহার তুলে দেন। পরে মন্ত্রী সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার লালপুর বাজারে ন্যায্য মূল্যে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের শুভ উদ্বোধন করেন।