top
top
Breaking News

করোনা ভাইরাসের কারণে ঘরবন্দি সুনামগঞ্জের কওমী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষকরা অনাহারে অর্ধহারে দিনাতিপাত

করোনা ভাইরাসের কারণে ঘরবন্দি সুনামগঞ্জের কওমী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষকরা অনাহারে অর্ধহারে দিনাতিপাত
Spread the love

রফিকুল ইসলাম সোহাগ: প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউন থাকায় সুনামগঞ্জের প্রতিটি কওমী মাদ্রাসা, হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকার বেতন ভাতাদি না পেয়ে অনাহারে অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছেন বলে জানা যায়। সরকার সারা দেশে ত্রান সহায়তা দিলেও কওমী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দেয়া হয়নি একমুঠি ত্রাণ। ফলে না খেয়ে অনাহারে অর্ধাহারে তারা দিনাতিপাত করছেন। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, খুবই সীমিত বেতনে চাকুরী করেন দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত শিক্ষক-শিক্ষিকারা। সাধারন মানুষের দেয়া দান অনুদানে পরিচালিত এইসব মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতন ভাতাদি দেয়া হতো কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে অনেক ধনী মানুষও তাদের আয়-রোজগার বন্ধ থাকায় দান অনুদান দেওয়াও বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে কওমী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকারা তাদের বেতন ভাতাদি পাচ্ছেন না। পৌর শহরের বাইতুস সালাম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সালাউদ্দিন জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে বেতন ভাতাদি না পেয়ে খুবই কষ্টে দিনাতিপাত করছি। আমরা স্বল্প বেতনভোগী মানুষ হওয়ায় লকডাউনের কারণে কোথাও বের হতে পারছি না। আমরা কাহারো কাছে হাত পেতে সাহায্য সহযোগিতাও চাইতে পারছি না। ফলে অন্যান্য মানুষের ন্যায় আমরাও খুব কষ্টে দিনাতিপাত করছি। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আকুল আবেদন, দ্বীনি শিক্ষাদানকারী প্রতিষ্ঠান কওমী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে বাঁিচয়ে রাখার দাবী জানাচ্ছি। এ ব্যাপারে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: শরিফুল ইসলাম জানান, কওমী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বিষয়টি জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে বিহীত ব্যবস্থা নেয়ার চেস্টা করব।